শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
সরকারি কর্মকর্তারা এখন গ্যাস-জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অর্থের ২০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারবেন না। সাশ্রয় করতে হবে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ অর্থের ২৫ শতাংশও। গতকাল বৃহস্পতিবার এই দুই নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
করোনা মহামারির পর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে আবারও কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।
চলতি অর্থবছরের শুরুতেই প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্যাটাগরি নির্ধারণ, যানবাহন কেনা বন্ধ, সরঞ্জাম কেনায় বরাদ্দের অর্ধেক অর্থ ব্যবহার এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন কমিটির সম্মানী ব্যয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় সাশ্রয়ের সিদ্ধান্ত নিল সরকার।
অর্থ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার ২০ শতাংশ কমাতে হবে। অর্থাৎ গ্যাস-জ্বালানি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের ২০ শতাংশ ব্যবহার করা যাবে না। ফলে পেট্রল, অয়েল, লুব্রিক্যান্ট, গ্যাস ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থেও সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। আর বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দের ২৫ শতাংশ সাশ্রয় করতে হবে। এসব খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ অন্য কোনো উপখাতে পুনরায় যোগ করা যাবে না।
বর্তমানে সরকারের ক্যাডার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপসচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ি বরাদ্দ রয়েছে। গাড়ির চালক, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকার মাসে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। গাড়ি কেনার জন্য যত টাকা ব্যয় হয় তার অর্ধেকও বহন করে সরকার।